স্বাস্থ্য পরামর্শ

ওষুধ ছাড়াই ভালো ঘুম

এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে

এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।

ইংরেজি মূল পড়ুন
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
ওষুধ ছাড়াই ভালো ঘুম

বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠা, সকালের আলো এবং ঘুমানোর আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা যেকোনো সাপ্লিমেন্টের চেয়ে বেশি কার্যকর।

সংক্ষেপে

  • বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন
  • ঘুমানোর নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে ঘুম থেকে ওঠার নির্দিষ্ট সময় বেশি কার্যকর
  • সকালে দিনের আলোতে থাকুন — এটি আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে ঠিক রাখে
  • ঘুমানোর আগের শেষ এক ঘণ্টা স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন এবং ঘরের আলো কমিয়ে রাখুন
  • সন্ধ্যা বা রাতে চা, কফি এবং ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন
  • ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ (sleeping tablets) খাবেন না

ভালো ঘুম না হওয়া মানে শুধু ক্লান্ত বোধ করা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে কম ঘুমালে উচ্চ রক্তচাপ (high blood pressure), ডায়াবেটিস (diabetes), ওজন বৃদ্ধি, মন খারাপ এবং মনোযোগ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সপ্তাহের সাত দিনই ঘুম থেকে ওঠার একটি নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা। আপনি কখন ঘুমাতে যাচ্ছেন তার চেয়ে কখন ঘুম থেকে উঠছেন এবং দিনের আলো দেখছেন, তার ওপর আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বেশি নির্ভর করে।

সকালের দিনের আলো এই ঘড়িকে শক্তিশালী করে। ঘুম থেকে ওঠার পরপরই ১০ থেকে ১৫ মিনিট বাইরে থাকলে রাতে সহজে ঘুম আসে।

ঘুমানোর আগের শেষ এক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। চোখের সামনে উজ্জ্বল স্ক্রিন থাকলে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং স্ক্রল করতে থাকলে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে। ঘরের আলো কমিয়ে রাখা এবং ফোন দূরে সরিয়ে রাখা বেশিরভাগ মানুষের ঘুমের মান অনেক উন্নত করে।

ক্যাফেইন (caffeine) শরীরে বেশ কয়েক ঘণ্টা সক্রিয় থাকে, তাই যারা মনে করেন চা বা কফি তাদের ঘুমে কোনো প্রভাব ফেলে না, তাদের ক্ষেত্রেও এটি ঘুমের ক্ষতি করে। রাতে ভারী খাবার এবং অ্যালকোহল (alcohol) উভয়ই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

যদি আপনার নিয়মিত ঘুম না আসে বা ঘুম ভেঙে যায়, অথবা পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরেও আপনি ক্লান্ত বোধ করেন, তবে ডাক্তারের সাথে দেখা করুন। স্লিপ অ্যাপনিয়া (sleep apnoea), থাইরয়েড (thyroid) সমস্যা, রক্তাল্পতা (anaemia) এবং বিষণ্নতা (depression)-এর কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং এগুলোর চিকিৎসা সম্ভব। নিজে থেকে ঘুমের ওষুধ শুরু করবেন না — এগুলোর অভ্যাস হয়ে যেতে পারে এবং এগুলো সমস্যার মূল কারণ দূর করে না।

সাধারণ প্রশ্ন

প্রাপ্তবয়স্কদের কত ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন?

বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। অল্প কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এর চেয়ে কম ঘুমেও চলে, কিন্তু নিয়মিত ছয় ঘণ্টার কম ঘুমালে সময়ের সাথে সাথে স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে।

ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করা কি খারাপ?

এটি সাধারণত ঘুম আসতে দেরি করায়, কারণ ফোনের আলো এবং ফোনের বিষয়বস্তু আপনার মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে। ঘুমানোর আগের শেষ ৩০ থেকে ৬০ মিনিট স্ক্রিন থেকে দূরে থাকলে বেশিরভাগ মানুষের দ্রুত ঘুম আসে।

এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
চিকিৎসা পর্যালোচক
যোগ্য ডাক্তারের পর্যালোচনা বাকি আছে