স্বাস্থ্য পরামর্শ

আপনার কোন স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো প্রয়োজন এবং কখন করবেন

এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে

এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।

ইংরেজি মূল পড়ুন
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
আপনার কোন স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো প্রয়োজন এবং কখন করবেন

কয়েকটি সাধারণ পরীক্ষা — ব্লাড প্রেশার (Blood pressure), ব্লাড সুগার (Blood sugar), হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) এবং ওজন — ভারতে সবচেয়ে সাধারণ ও গুরুতর রোগগুলো লক্ষণ দেখা দেওয়ার অনেক আগেই ধরে ফেলে।

সংক্ষেপে

  • ব্লাড প্রেশার (Blood pressure) — ৩০ বছর বয়স থেকে বছরে অন্তত একবার
  • ব্লাড সুগার (Blood sugar) — ৩০ বছর বয়স থেকে, অথবা ঝুঁকি থাকলে আরও আগে
  • হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) — বিশেষ করে নারী, কিশোর-কিশোরী এবং গর্ভাবস্থায়
  • ওজন ও কোমরের মাপ — শুধু ওজন নয়, কোমরের মাপের দিকেও নজর রাখুন
  • বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Cancer screening) নিয়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন

ভারতে যেসব রোগের কারণে মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে — যেমন হাই ব্লাড প্রেশার (High blood pressure), ডায়াবেটিস (Diabetes), অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা (Anaemia) — সেগুলোর কোনো লক্ষণ বহু বছর ধরে বোঝাই যায় না। শরীর ভালো লাগছে মানেই সব ঠিক আছে এমন নয়, আর এই কারণেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা দরকার।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যে ব্লাড প্রেশার মাপা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে মাত্র দুই মিনিট সময় লাগে, খরচও নেই বললেই চলে, আর প্রেশার বেশি থাকা যেমন খুব সাধারণ বিষয়, তেমনই এর চিকিৎসাও সম্ভব। ৩০ বছর বয়স থেকে অন্তত বছরে একবার ব্লাড প্রেশার পরীক্ষা করান।

ভারতে প্রায় ৩০ বছর বয়স থেকেই ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত। পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকলে, কোমর মোটা হলে, হাই ব্লাড প্রেশার থাকলে বা গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে আরও আগে পরীক্ষা করানো উচিত। অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভারতীয়দের কম বয়সে এবং কম ওজনেই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

যাদের পিরিয়ড বা মাসিক হচ্ছে এমন নারী, কিশোর-কিশোরী এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা খুবই দরকারি, কারণ এই তিনক্ষেত্রেই শরীরে আয়রনের অভাব হওয়া খুব সাধারণ।

শুধু ওজনের চেয়ে কোমরের মাপ থেকে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি ভালো বোঝা যায়। শরীরের মোট ওজনের চেয়ে পেটের চর্বি বা মেদের সাথে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সম্পর্ক অনেক বেশি।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্যান্সার স্ক্রিনিং (ক্যান্সার পরীক্ষা) নিয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন — আপনার বয়স, লিঙ্গ, পরিবারের ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে কোন পরীক্ষা দরকার, তাই এটি সবার জন্য নির্দিষ্ট কোনো তালিকা নয়, বরং ডাক্তারের সাথে আলোচনার বিষয়।

পরামর্শ ছাড়া বড় বড় 'ফুল বডি' (Full body) চেকআপ প্যাকেজ কেনা থেকে বিরত থাকুন। এগুলোর অনেক পরীক্ষাই অপ্রয়োজনীয়, আর কম ঝুঁকি থাকা মানুষের রিপোর্টে একটু এদিক-ওদিক হলে অহেতুক আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মানসিক চিন্তা বাড়ে, শরীরের কোনো ভালো হয় না।

সাধারণ প্রশ্ন

কোন বয়স থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করা উচিত?

ভারতে সাধারণত ৩০ বছর বয়স থেকে ব্লাড প্রেশার এবং ব্লাড সুগার পরীক্ষা করানো বুদ্ধিমানের কাজ, তবে পরিবারে কারো থাকলে বা অন্যান্য ঝুঁকি থাকলে আরও আগেই করা উচিত। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার নিয়ম আলাদা।

ফুল বডি চেকআপ প্যাকেজগুলো কি সত্যিই দরকারি?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা নয়। এগুলোতে এমন অনেক পরীক্ষা থাকে যা কোনো লক্ষণ না থাকা মানুষের জন্য দরকারি নয়। আর ক্ষতিকর নয় এমন কিছু রেজাল্টেও অযথা দুশ্চিন্তা এবং বাড়তি পরীক্ষার ঝামেলা বাড়ে। আপনার জন্য কোন পরীক্ষাগুলো সত্যিই দরকার, তা ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন।

এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
চিকিৎসা পর্যালোচক
যোগ্য ডাক্তারের পর্যালোচনা বাকি আছে

সূত্র