লক্ষণ

জ্বর (Fever)

Also called: জ্বর (Jwar), কাইচল (Kaichal), পানি (Pani)

এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে

এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।

ইংরেজি মূল পড়ুন
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
জ্বর (Fever)

জ্বর হলো শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, যা সাধারণত 38°C (100.4°F)-এর বেশি হয়। এটি একটি লক্ষণ যে শরীর কোনো কিছুর বিরুদ্ধে লড়াই বা সাড়া দিচ্ছে — যার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ইনফেকশন বা সংক্রমণ।

এই লক্ষণ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান

  • জ্বর 40°C (104°F)-এর বেশি হলে
  • জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে
  • জ্বরের সাথে তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, গায়ে র্যাশ বা লাল দাগ অথবা বিভ্রান্তি থাকলে
  • জ্বরের সাথে শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে
  • তিন মাসের কম বয়সী শিশুর যেকোনো মাত্রার জ্বর হলে
  • ডেঙ্গুর যেকোনো বিপৎচিহ্ন সহ জ্বর, যেমন তীব্র পেটে ব্যথা, বারবার বমি হওয়া বা রক্তপাত হওয়া

In English:

  • Fever above 40°C (104°F)
  • Fever lasting more than three days
  • Fever with severe headache, neck stiffness, rash or confusion
  • Fever with breathlessness or chest pain
  • Fever in a baby under three months, at any level
  • Fever with any dengue warning sign, such as severe stomach pain, repeated vomiting or bleeding

সতর্কতার লক্ষণগুলি ইংরেজিতেও দেখানো হয়েছে, যাতে জরুরি তথ্য শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর না করে।

কারণ কী

  • ফ্লু (Flu) এবং ডেঙ্গু (Dengue) সহ বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণ
  • গলা, প্রস্রাব বা বুকের ইনফেকশনের মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
  • যেসব এলাকায় এগুলো বেশি দেখা যায় সেখানে ম্যালেরিয়া (Malaria) ও টাইফয়েড (Typhoid)
  • যক্ষ্মা (Tuberculosis), যা সাধারণত বিকেলের দিকে জ্বর আসা এবং রাতে ঘাম হওয়ার সাথে যুক্ত
  • টিকা বা ভ্যাকসিন (Vaccination) নেওয়ার পরের প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত অল্প সময়ের জন্য থাকে

সাধারণ প্রশ্ন

কখন জ্বর নিয়ে চিন্তা করা উচিত?

জ্বর 40°C (104°F)-এর বেশি হলে, তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে, অথবা জ্বরের সাথে তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, র্যাশ, বিভ্রান্তি, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা থাকলে দ্রুত ডাক্তারি সাহায্য নিন। তিন মাসের কম বয়সী শিশুর যেকোনো মাত্রার জ্বর হলে তাকে একই দিনে ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন।

সব জ্বরেই কি অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন?

না। বেশিরভাগ জ্বর ভাইরাসের কারণে হয়, আর অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic) ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করে না — বরং এর কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং ওষুধে জীবাণু না মরার প্রবণতা (রেজিস্ট্যান্স) বাড়তে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক লাগবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত রোগী পরীক্ষা করার পর একজন ডাক্তারই নেবেন।

ভারতে বর্ষাকালে জ্বর হওয়ার প্রধান কারণগুলো কী?

সাধারণ ভাইরাল জ্বরের পাশাপাশি বর্ষাকালে এবং বর্ষার পর ডেঙ্গু (Dengue), ম্যালেরিয়া (Malaria), টাইফয়েড (Typhoid) এবং চিকুনগুনিয়া (Chikungunya)-র উপদ্রব বাড়ে। প্রথম কয়েক দিন এগুলোর লক্ষণ একই রকম মনে হতে পারে, তাই আন্দাজে চিকিৎসা না করে তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।

এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
চিকিৎসা পর্যালোচক
যোগ্য ডাক্তারের পর্যালোচনা বাকি আছে