এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে
এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।
ইংরেজি মূল পড়ুনঅবশ হওয়া মানে অনুভূতি হারিয়ে যাওয়া; আর ঝিঁঝিঁ ধরা হলো সূঁচ ফোটানোর মতো অনুভূতি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্নায়ু বা নার্ভের ওপর সামান্য চাপের কারণে এটি হয় যা ক্ষতিকর নয়, তবে শরীরের কোনো এক পাশ যদি হঠাৎ অবশ হয়ে যায়, তবে তা একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি (মেডিকেল এমার্জেন্সি)।
এই লক্ষণ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান
- অবিলম্বে হাসপাতালে যান: মুখ, হাত বা পায়ে হঠাৎ অবশ ভাব বা দুর্বলতা আসা, বিশেষ করে শরীরের যেকোনো এক পাশে — সেই সাথে মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা বলতে বা বুঝতে সমস্যা হওয়া, অথবা শরীরের ভারসাম্য হারানো। এটি স্ট্রোক (Stroke) হতে পারে, যার চিকিৎসা প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে ভালো কাজ করে এবং প্রতিটা মিনিট অত্যন্ত মূল্যবান। ১১২ (112) নম্বরে কল করুন। এটি একা একাই ঠিক হয়ে যাবে কিনা তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন না
- অবিলম্বে হাসপাতালে যান: যৌনাঙ্গ, নিতম্ব বা উরুর ভেতরের অংশে অবশ ভাব, অথবা প্রস্রাব বা পায়খানার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা — এটি কডা ইকুইনা সিন্ড্রোম (Cauda equina syndrome) হতে পারে এবং এটি দ্রুত অস্ত্রোপচার করার মতো একটি জরুরি পরিস্থিতি
- পড়ে যাওয়ার পর, কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বা মাথায় আঘাত পাওয়ার পর অবশ ভাব বা ঝিঁঝিঁ ধরা
- ঝিঁঝিঁ ধরার সাথে শরীর দুর্বল লাগা, অথবা হাঁটতে বা কোনো কিছু শক্ত করে ধরতে অসুবিধা হওয়া
- অবশ ভাব ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া, অথবা কয়েক দিনের মধ্যেও ঠিক না হওয়া
- দুই পায়ে ধীরে ধীরে ঝিঁঝিঁ ধরা শুরু হওয়া, বিশেষ করে আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে — এটিকে অবহেলা না করে ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করানো দরকার
- শরীরের একপাশে ব্যান্ড বা বেল্টের মতো জায়গায় র্যাশ বা ফুসকুড়ির সাথে ঝিঁঝিঁ ধরা, যা শিঙ্গলস (Shingles) হতে পারে
In English:
- GO TO HOSPITAL IMMEDIATELY: numbness or weakness that comes on suddenly in the face, arm or leg, especially on one side of the body — with drooping of the face, difficulty speaking or understanding, or loss of balance. This can be a stroke, treatment works best within a few hours, and every minute counts. Call 112. Do not wait to see if it passes
- GO TO HOSPITAL IMMEDIATELY: numbness around the genitals, buttocks or inner thighs, or loss of control over the bladder or bowels — this can be cauda equina syndrome and is a surgical emergency
- Numbness or tingling after a fall, accident or head injury
- Tingling that comes with weakness, or with difficulty walking or gripping
- Numbness that is spreading, or that has not settled within a few days
- Tingling in both feet that has come on gradually, particularly if you have diabetes — this needs checking rather than accepting
- Tingling with a rash in a band on one side of the body, which can be shingles
সতর্কতার লক্ষণগুলি ইংরেজিতেও দেখানো হয়েছে, যাতে জরুরি তথ্য শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর না করে।
কারণ কী
- অস্বাভাবিকভাবে বসা, হাঁটু গেড়ে থাকা বা শুয়ে থাকার কারণে স্নায়ু বা নার্ভের (Nerve) ওপর চাপ পড়া — দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ 'পা ঘুমিয়ে যাওয়া', যা নাড়াচাড়া করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়
- ভিটামিন বি১২-এর অভাব (Vitamin B12 deficiency), যা হাত ও পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার খুব সাধারণ এবং সহজে চিকিৎসাযোগ্য একটি কারণ, বিশেষ করে নিরামিষাশী এবং যারা দীর্ঘদিন ধরে মেটফর্মিন (Metformin) বা অ্যাসিডিটির ওষুধ খাচ্ছেন তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়
- ডায়াবেটিস (Diabetes), যেখানে দীর্ঘদিন ধরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে ছোট ছোট স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় — এটি সাধারণত দুই পায়ে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ছড়ায়
- ঘাড় বা পিঠের নিচের দিকে স্নায়ু চেপে যাওয়া, যার ফলে সাধারণত দুটি হাতের বা পায়ের বদলে যেকোনো একটি হাত বা পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরে
- কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম (Carpal tunnel syndrome) — বুড়ো আঙুল, তর্জনী এবং মধ্যমায় ঝিঁঝিঁ ধরা, যা প্রায়ই রাতের বেলা বেশি বাড়ে
- অ্যান আন্ডারঅ্যাক্টিভ থাইরয়েড (Underactive thyroid) বা থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি
- ক্যালসিয়ামের অভাব (Low calcium), যার ফলে মুখের চারপাশে এবং আঙুলে ঝিঁঝিঁ ধরে
- উদ্বেগ বা প্যানিক অ্যাটাকের (Panic attack) সময় দ্রুত ও হালকা শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া, যার ফলে দুই হাত এবং ঠোঁটের চারপাশে ঝিঁঝিঁ ধরে
- কিছু কিছু ওষুধ এবং বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত মদ খাওয়ার অভ্যাস
সাধারণ প্রশ্ন
আমার হাত বা পা বারবার অবশ হয়ে যাওয়ার মানে কী?
এটি যদি কেবল কোনো নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে বসে বা শুয়ে থাকার কারণে হয় এবং নাড়াচাড়া করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়, তবে এটি সাধারণত স্নায়ুর ওপর সামান্য চাপের কারণে হয় এবং চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু ঝিঁঝিঁ ধরা যদি বারবার হতে থাকে, কোনো কারণ ছাড়াই শুরু হয়, বা দুই পায়েই হয়, তবে তা আলাদা বিষয় — এর চিকিৎসাযোগ্য সাধারণ কারণগুলো হলো ভিটামিন বি১২-এর অভাব (Vitamin B12 deficiency), ডায়াবেটিস (Diabetes) এবং থাইরয়েডের ঘাটতি (Underactive thyroid); সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই এই তিনটি কারণ শনাক্ত করা যায়।
অবশ ভাব কখন একটি জরুরি বা বিপজ্জনক পরিস্থিতি হয়?
যখন শরীরের কোনো এক পাশ হঠাৎ অবশ হয়ে যায়, বিশেষ করে যদি মুখ বেঁকে যায়, কথা জড়িয়ে যায় বা হাতে দুর্বলতা দেখা দেয়। এটি স্ট্রোকের (Stroke) লক্ষণ হতে পারে এবং অপেক্ষা না করে অবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা প্রয়োজন। আরেকটি জরুরি পরিস্থিতি হলো যৌনাঙ্গ বা নিতম্বের চারপাশে অবশ ভাব এবং সাথে প্রস্রাব বা পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা, যার জন্য জরুরিভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা দরকার।
ভিটামিন বি১২-এর অভাবে কি ঝিঁঝিঁ ধরতে পারে?
হ্যাঁ, এবং ভারতে পরীক্ষা করানোর মতো এটি অন্যতম একটি সাধারণ কারণ। সাধারণত এর ফলে দুই হাত ও পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরে, আর কখনো কখনো সাথে ক্লান্তি এবং জিভে ব্যথা হতে পারে। নিরামিষাশী ব্যক্তিরা এবং যারা দীর্ঘদিন ধরে মেটফর্মিন (Metformin) বা অ্যাসিডিটির ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এটি ধরা পড়ে এবং এর চিকিৎসা সাধারণত খুবই সহজ।
রাতের বেলা আমার হাতের আঙুলে ঝিঁঝিঁ ধরে কেন?
বুড়ো আঙুল, তর্জনী এবং মধ্যমায় ঝিঁঝিঁ ধরে ঘুম ভেঙে যাওয়া এবং হাত নাড়ালে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া হলো কার্পাল টানেল সিন্ড্রোমের (Carpal tunnel syndrome) মূল লক্ষণ — যেখানে কব্জির কাছে স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। গর্ভাবস্থায়, থাইরয়েডের সমস্যায় এবং যারা হাতে একই ধরণের কাজ বারবার করেন তাদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। এটি ডাক্তারকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো, কারণ শুরুতে চিকিৎসা করালে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
ডায়াবেটিসের কারণে কি পা অবশ হতে পারে?
হ্যাঁ, হতে পারে। বহু বছর ধরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে ছোট ছোট স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা সাধারণত দুই পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা অবশ ভাব দিয়ে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ওঠে। সমস্যাটি যতটা না টের পাওয়া যায়, তার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর হতে পারে: পা অবশ থাকলে কেটে যাওয়া বা ফোসকা পড়ার বিষয়টি বোঝা যায় না, আর এভাবেই পায়ের মারাত্মক সমস্যা শুরু হয়। ডায়াবেটিস আছে এবং পা অবশ লাগে এমন যে কারো উচিত ডাক্তারকে দিয়ে পরীক্ষা করানো এবং প্রতিদিন নিজের পা পরীক্ষা করে দেখা।