লক্ষণ

দীর্ঘস্থায়ী কাশি (Persistent Cough)

Also called: খাসি (Khansi), ইরুমাল (Irumal)

এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে

এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।

ইংরেজি মূল পড়ুন
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
দীর্ঘস্থায়ী কাশি (Persistent Cough)

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে ডাক্তার দেখানো দরকার। ভারতে দুই সপ্তাহের বেশি কাশি হলে সবসময় যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis)-র কথা মাথায় রাখা উচিত।

এই লক্ষণ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান

  • কাশি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে
  • কাশির সাথে রক্ত বের হচ্ছে
  • আপনার সন্ধ্যায় জ্বর আসে, রাতে ঘাম হয় বা ওজন কমে যাচ্ছে
  • আপনার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে বা বুকে ব্যথা রয়েছে
  • আপনার আগেই ফুসফুসের কোনো সমস্যা জানা আছে এবং লক্ষণগুলো আরও খারাপ হয়েছে

In English:

  • The cough has lasted more than two weeks
  • You are coughing up blood
  • You have evening fever, night sweats or weight loss
  • You are breathless or have chest pain
  • You have a known lung condition and your symptoms have worsened

সতর্কতার লক্ষণগুলি ইংরেজিতেও দেখানো হয়েছে, যাতে জরুরি তথ্য শুধু অনুবাদের উপর নির্ভর না করে।

কারণ কী

  • যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) — ভারতে দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে সবসময় এটি বিবেচনা করা হয়
  • অ্যাজমা বা হাঁপানি (Asthma)
  • ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), বিশেষ করে ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে
  • ভাইরাসজনিত অসুস্থতার পর কাশির প্রভাব (Post-infectious cough)
  • এসিড রিফ্লাক্স (Acid reflux) বা পেটের এসিড উপরে উঠে আসা
  • বায়ুদূষণ, ধূলিকণা এবং কর্মক্ষেত্রের ধুলোবালি
  • উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ, বিশেষ করে এসিই ইনহিবিটর (ACE inhibitors)

সাধারণ প্রশ্ন

কত দিন কাশি থাকা অতিরিক্ত?

দুই সপ্তাহের বেশি। ভারতে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে সবসময় যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis)-র কথা ভাবা উচিত, এবং সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এর পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হয়।

আমার প্রেসারের ওষুধের কারণে কি কাশি হতে পারে?

হ্যাঁ, হতে পারে। শুকনো ও খুসখুসে কাশি হওয়া রক্তচাপের ওষুধ এসিই ইনহিবিটর (ACE inhibitors)-এর একটি জানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না — আপনার ডাক্তারকে জানান, তিনি সাধারণত বিকল্প অন্য ওষুধ দিতে পারেন।

কাশির সাথে রক্ত বের হওয়ার অর্থ কী?

রক্তের পরিমাণ যতই কম বা বেশি হোক না কেন, দ্রুত ডাক্তার দেখানো উচিত। এটি যক্ষ্মা (Tuberculosis), বুকের ইনফেকশন বা ফুসফুসের অন্যান্য সমস্যার কারণে হতে পারে। নিজে থেকে কমার জন্য অপেক্ষা না করে কারণ নিশ্চিত করা দরকার।

সাধারণ কাশি কত দিন থাকে?

সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত অসুস্থতার পর অন্যান্য লক্ষণ চলে গেলেও কাশি সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে, কারণ শ্বাসনালী কিছুদিন সংবেদনশীল থাকে। এটা স্বাভাবিক এবং এর মানে এই নয় যে ইনফেকশন এখনও আছে। তবে দুই সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলে ঘরে বসে না থেকে পরীক্ষা করানো উচিত।

আমার কাশি কেন কমছে না?

কাশি দীর্ঘদিন থাকার সাধারণ কারণগুলো হলো ভাইরাসের পর কাশির রেশ থাকা (Post-infectious cough), অ্যাজমা (Asthma), এসিড রিফ্লাক্স (Acid reflux), ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে সিওপিডি (COPD), বায়ুদূষণ বা ধুলোবালি এবং রক্তচাপের ওষুধ এসিই ইনহিবিটর (ACE inhibitors)। ভারতে দুই সপ্তাহের বেশি যেকোনো কাশির ক্ষেত্রে যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis)-র কথাও ভাবতে হবে। আপনার কোনটা হয়েছে তা বোঝার জন্য ডাক্তার দেখানো এবং সাধারণত বুকের এক্স-রে (Chest X-ray) বা কফ পরীক্ষা (Sputum test) করানো দরকার — এটি ঘরে বসে বোঝা সম্ভব নয়।

আমার কাশি যদি এক মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তবে কী করব?

ডাক্তার দেখান এবং কত দিন ধরে কাশি হচ্ছে তা স্পষ্টভাবে বলুন। এক মাস বা তার বেশি সময়ের কাশির জন্য সঠিক পরীক্ষা দরকার, বারবার কাশির সিরাপ খাওয়া নয়। যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) পরীক্ষার কথা আলাদা করে জিজ্ঞাসা করুন, যা সরকারি কেন্দ্রে বিনামূল্যে হয় — বিশেষ করে আপনার যদি সন্ধ্যায় জ্বর, রাতে ঘাম বা ওজন কমার মতো লক্ষণ থাকে।

আমার তিন দিন ধরে কাশি হচ্ছে। এটা কি স্বাভাবিক?

সাধারণত হ্যাঁ। সর্দি বা ভাইরাসের কারণে হওয়া কাশি একটি কাজ করে — শ্বাসনালী পরিষ্কার করা — তাই কয়েক দিনের কাশি স্বাভাবিক। তবে দুই সপ্তাহ হওয়ার আগেই ডাক্তার দেখান যদি শ্বাসকষ্ট হয়, বুকে ব্যথা থাকে, কাশির সাথে রক্ত আসে, তীব্র জ্বর না কমে, অথবা রোগী যদি কোনো শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি হন বা তাঁর ফুসফুস ও হৃদরোগের সমস্যা থাকে।

শুকনো কাশি এবং কফযুক্ত কাশির মধ্যে পার্থক্য কী?

শুকনো কাশিতে কোনো কফ ওঠে না এবং গলায় খুসখুস ভাব থাকে। কফযুক্ত কাশিতে কফ বের হয়, যা পরিষ্কার, সাদা, হলুদ বা সবুজ রঙের হতে পারে। কফের রঙ দেখে একা অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic) লাগবে কি না তা ঠিক করা যায় না — এটি একটি ভুল ধারণা। দুটি কাশিই ভাইরাসের পর হতে পারে, এবং দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে উভয়েরই ডাক্তার দেখানো দরকার।

অবশিষ্ট কাশি বা রেসিডুয়াল কাফ (Residual cough) কী?

ইনফেকশন সেরে যাওয়ার পর যে কাশি রয়ে যায়, সেটাই এটি। শ্বাসনালী কিছুদিন সংবেদনশীল থাকে, তাই সুস্থ বোধ করলেও কাশি হতে থাকে। সর্দির পর এটি সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ থাকে এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। যদি এর চেয়ে বেশি দিন থাকে, বা সঙ্গে জ্বর, রাতে ঘাম বা ওজন কমার সমস্যা থাকে, তবে অপেক্ষা না করে পরীক্ষা করানো দরকার।

আমার কাশি কমে গিয়ে আবার ফিরে আসে। এর অর্থ কী?

যে কাশি কমে আবার ফিরে আসে, সে বিষয়ে ডাক্তারকে জানানো উচিত, কারণ এটি টানা কাশির থেকে আলাদা কারণের সংকেত দেয়। এর সাধারণ কারণগুলো হলো অ্যাজমা (Asthma) যা প্রায়ই আসে-যায় এবং রাতে, ব্যায়াম করলে বা ঠান্ডা বাতাসে বাড়তে পারে; এসিড রিফ্লাক্স (Acid reflux); বারবার ইনফেকশন হওয়া (বিশেষ করে শিশুদের); এবং ঋতুভিত্তিক অ্যালার্জি (Allergies)। কাশি কখন ফিরে আসে এবং তখন আপনি কী করছিলেন তার একটি হিসাব রাখুন — এই তথ্য ডাক্তারের জন্য খুবই দরকারী।

এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
চিকিৎসা পর্যালোচক
যোগ্য ডাক্তারের পর্যালোচনা বাকি আছে