ভুল ধারণা

ডায়াবেটিস রোগীরা কি ভাত খেতে পারেন? আসলে কী গুরুত্বপূর্ণ

এই পাতাটি যন্ত্রের সাহায্যে অনুবাদ করা হয়েছে

এই অনুবাদ এখনও কোনো ডাক্তার যাচাই করেননি। অর্থ ঠিক থাকার কথা, তবে কিছু অস্পষ্ট মনে হলে ইংরেজি মূলটি পড়ুন।

ইংরেজি মূল পড়ুন
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
ভুল ধারণা

“ডায়াবেটিস থাকলে আপনি কখনোই ভাত খেতে পারবেন না”

সংক্ষেপে

ভাত পুরোপুরি বন্ধ করার চেয়ে, আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন এবং ভাতের সাথে আর কী কী খাচ্ছেন তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবেটিস থাকা বেশিরভাগ মানুষই সুষম খাবারের অংশ হিসেবে ভাত খেতে পারেন।

কারণ কী

ভাত অনেক খাবারের তুলনায় রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, তাই 'ভাত খাওয়া বন্ধ করুন'—এই সহজ পরামর্শটি চালু হয়ে গেছে। অল্প সময়ের ডাক্তারী পরামর্শে সহজ নিয়ম দেওয়া এবং তা বারবার বলা সহজ, এমনকি যখন তা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কঠোর হয় তখনও।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা

যে পরামর্শ মানুষ মেনে চলতে পারে না, তা তারা পুরোপুরি ছেড়ে দেয়। কাউকে ভাত ছেড়ে দিতে বললে, তারা প্রায়ই পুরো ডায়েট বা পথ্যই মেনে চলা বন্ধ করে দেয়। খাবারের কঠোর নিয়মগুলো সেইসব পরিবারে মানসিক কষ্টের কারণ হয় যেখানে ভাত প্রধান খাবার। এছাড়া, এটি মানুষকে দামী 'ডায়াবেটিক' পণ্যের দিকে ঠেলে দেয়, যেগুলোর খুব একটা উপকারিতা নেই।

চিকিৎসা

  • ভাত পুরোপুরি বন্ধ না করে পরিমাণ কমিয়ে দিন
  • প্লেটের বেশিরভাগ অংশ শাকসবজি এবং ডাল দিয়ে ভরুন, যা রক্তে শর্করার বৃদ্ধিকে ধীর করে দেয়
  • মাঝে মাঝে হাতে ছাঁটা বা লাল চাল (brown rice), অথবা রাগি (ragi) ও বাজরা (bajra)-র মতো মিলেট খাওয়ার চেষ্টা করুন
  • খাওয়ার পর দশ মিনিট হাঁটুন — এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়
  • একজন ডায়েটিশিয়ানের (dietitian) পরামর্শ নিন যাতে আপনার পরিবারের রান্না করা খাবারের সাথে মানানসই একটি পরিকল্পনা তৈরি করা যায়
এই তথ্য শুধুমাত্র জানার জন্য। এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
চিকিৎসা পর্যালোচক
যোগ্য ডাক্তারের পর্যালোচনা বাকি আছে

সূত্র